• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা মোঃ লোকমান চৌধুরীর ইন্তেকাল-কমলগঞ্জ বার্তা সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক- কমলগঞ্জ বার্তা সংবর্ধনা শেষে ‘চাঁদের গাড়ি’তে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক কৃষ্ণ কুমার-কমলগঞ্জ বার্তা কুলাউড়া ক্ষেতের জমিতে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিন শিশু মারা গেছে সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিক আব্দুল বাছিত খানের মানবেতর জীবন ভোটকেন্দ্রে কন্যা সন্তানের জন্ম, নাম রাখা হলো ‘খালেদা লন্ডনের দবির উদ্দিন: মানবতার এক জীবন্ত প্রতীকঃ তুহিন আহমদ জহির কমলগঞ্জে নাছরিন সুলতানা ১৬৬ উপজেলায় নতুন ইউএনও ‘মৌলভীবাজার-৪: নির্বাচনের ইতিহাস ও ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ’ শ্রীমঙ্গল থেকে অপহৃত কিশোরী উদ্ধার, ভিকটিমের খালাসহ গ্রে/ফ/তা/র ৪

পারিবারিক দ্বন্দ্বে ছাত্রদল নেতা রাফিকে হত্যা করলো ছোট ভাই

কমলগঞ্জ বার্তা ডেস্ক, রিপোর্ট ॥ / ৭৩১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫

 কমলগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে সংঘটিত আলোচিত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম রাফি (২৬) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকারী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার আপন ছোট ভাই ও মাদ্রাসা ছাত্র রানাকে (ছদ্মনাম, বয়স ১৬)।

সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, হত্যার পরপরই মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা, শ্রীমঙ্গল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান এবং কমলগঞ্জ থানার ওসি আবু আফর মো. মাহফুজুল কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেন। তথ্যপ্রযুক্তি, গোপন সূত্র এবং এলাকাবাসীর বক্তব্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের ছোট ভাই রানাকে ঘটনার দিনই হেফাজতে নেওয়া হয়।

পরে নিহতের স্ত্রী ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদে রানা রবিবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্বীকার করে যে, ৯ আগস্ট সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় বড় ভাইকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

রানা পুলিশকে জানায়, ঘটনার আগের দিন (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে সে বড় ভাই রাফির কাছে ৫০০ টাকা চায়। রাফি টাকা না দিয়ে গালাগাল ও দুর্ব্যবহার করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রানা পরদিন সকাল ৭টার দিকে মাকে বাড়িতে না পেয়ে এবং ভাইয়ের ঘরের দরজা খোলা দেখে খাটের নিচে রাখা ধারালো দা দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর দা ও রক্তমাখা লুঙ্গি ধুয়ে খাটের নিচে রেখে স্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে।

তবে পুলিশ জানায়, কেবল ৫০০ টাকা না দেওয়াই হত্যার একমাত্র কারণ নয়। চার বছর আগে বাবা মারা যাওয়ার পর রাফি ছোট ভাইয়ের অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছিল এবং মাদ্রাসায় থাকার জন্য তাকে চাপ দিতেন। পড়াশোনায় অনাগ্রহী রানা এ শাসন মানতে পারত না। এছাড়া রাফি পরিবারের অমতে প্রেম করে বিয়ে করায় ভাবী-শাশুড়ি ও দেবরের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। এসব কারণে বড় ভাইয়ের প্রতি ক্ষোভ জমে ওঠে রানার।

গ্রেপ্তারের পর রানার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত দা এবং রক্তমাখা লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১০ আগস্ট কমলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Web Service